রোযার প্রতিদান

By | Mon 9 Shaban 1437AH || 16-May-2016AD

হযরত আবু হুরায়রা রা.থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,

মানুষের প্রত্যেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করা হয়। একটি নেকীর সওয়াব দশ গুণ থেকে সাতাশগুণ পর্যন্ত। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, কিন্তু রোযা আলাদা। কেননা তা একমাত্র আমার জন্য এবং আমি নিজেই এর বিনিময় প্রদান করব। বান্দা একমাত্র আমার জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে।

-সহীহ মুসলিম ১১৫১ (১৬৪); মুসনাদে আহমাদ ৯৭১৪; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ৮৯৮৭; সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৩৮


হযরত আবু মুসা রা. হতে বর্ণিত,

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজের উপর অবধারিত করে নিয়েছেন, যে ব্যক্তি তার সন্তুষ্টির জণ্য গ্রীষ্মকালে (রোযার কারণে) পিপাসার্ত থেকেছে, তিনি তাকে তৃষ্ণার দিন (কিয়ামতের দিন) পানি পান করাবেন। -মুসনাদে বাযযার ১০৩৯; মাজমাউয যাওয়াইদ ৫০৯৫


হযরত আবু উমামা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামেরদরবারে আগমন করে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন একটি আমল বলে দিন, যার দ্বারাআমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব। তিনি বলেন, তুমি রোযা রাখ, কেননা এর সমতুল্য কিছু নেই।আমি পুনরায় তার নিকট এসে একই কথা বললাম। তিনি বললেন, তুমি রোযা রাখ।

-মুসনাদে আহমাদ ২২১৪৯; সহীহ ইবনে খুযাইমা ১৮৯৩; সহীহ ইবনে হিব্বান ৩৪২৬; সুনানে নাসায়ী ২৫৩০


হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ

  –  مَنْ صَامَ رَمَضَانَ، إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযান মাসের রোযা রাখবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

– সহীহ বুখারী ৩৮, ২০১৪; সহীহ মুসলিম ৭৬০ (১৬৫); মুসনাদে আহমদ ৭১৭০; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ৮৯৬৮


হযরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ রা. বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর রমযানের রোযা ফরয করেছেন, আর আমি কিয়ামুল লাইল (অর্থাৎ তারাবীহ’র নামাযকে) সুন্নত করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযানের সিয়াম কিয়াম আদায় করবে, সে দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যাবে যেদিন সে মায়ের গর্ভ থেকে সদ্য ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।

-মুসনাদে আহমদ: ১৬৬০, মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা :৭৭৮৭, মুসনাদে বাযযার :১০৪৮, সহীহ ইবনে খুযাইমা :২২০১, সুনানে নাসায়ী :২৫১৮

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*