নাক দিয়ে ইনহেলার/ ধোঁয়া প্রবেশ করা

By | Wed 6 Ramadan 1441AH || 29-Apr-2020AD

প্রশ্ন ২৬২০. আমি একজন শ্বাসকষ্টের রোগী। শীত-গ্রীষ্ম সারা বছর আমাকে ইনহেলার ব্যবহার করতে হয়। রাতে এবং দিনে মোট চার বার ইনহেলার নিতে হয়। তাই জানতে চাই, ইনহেলার নেওয়ার দ্বারা রোযার কোনো ক্ষতি হয় কি না? যদি রোযা ভেঙ্গে যায় তাহলে আমার কী করণীয়? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

উত্তর: রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যায়। তাই সাহরীর শেষ সময় এবং ইফতারের প্রথম সময় ইনহেলার ব্যবহার করলে যদি তেমন অসুবিধা না হয় তবে রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। কিন্তু অসুস্থতা বেশি হওয়ার কারণে যদি দিনেও ব্যবহার করা জরুরি হয় তাহলে তখন ব্যবহার করতে পারবে। সেক্ষেত্রে করণীয় হল :

১. উক্ত ওজরে দিনের বেলা ইনহেলার করলেও অন্যান্য পানাহার থেকে বিরত থাকবে।

২. পরবর্তীতে রোগ ভালো হলে এর কাযা করে নিবে।

৩. আর ওজর যদি আজীবন থাকে  তাহলে ফিদয়া আদায় করবে।

-সূরা বাকারা (২) : ১৮৪; মাজমাউল আনহুর ১/৩৬৬; রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫; মাজাল্লা মাজমাউল ফিকহিল ইসলামী, সংখ্যা : ১০, ২/৩১-৬৫

মাসিক আল-কাউসারের সরাসরি লিংক


প্রশ্ন ৩১২৯. আমাদের এলাকায় মশার উপদ্রব খুব বেশি। তাই দিনের বেলায়ও মশার কয়েল বা ধূপ জ্বালানোর প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি মসজিদ সুরভিত রাখার জন্য মাঝেমধ্যেই আগরবাতি জ্বালানো হয়। এসবের ধোঁয়া অনিচ্ছাকৃতভাবে নাক-মুখ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি? রমযানের দিনের বেলা এগুলো জ্বালানো কি জায়েয? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

উত্তর: রমযান মাসে দিনের বেলা মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানো জায়েয। এতে রোযার ক্ষতি হবে না। কারণ ধূপ, কয়েল, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানোর পর আশপাশে সাধারণত এর ঘ্রাণই ছড়ায়। এর ধোঁয়া নাক পর্যন্ত পৌঁছে না। এরপরও অনিচ্ছাকৃত তা নাকে-মুখে চলে গেলে রোযা নষ্ট হবে না। তবে রোযা অবস্থায় কেউ যদি নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয় সেক্ষেত্রে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।

-রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫; আশশুরুনবুলালিয়া ১/২০২; মাজমাউল আনহুর ১/৩৬১; হাশিয়াতুত তহতাবী আলাদ্দুর ১/৪৫০

মাসিক আল-কাউসারের সরাসরি লিংক

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*